Press "Enter" to skip to content

স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে শঙ্কায় ওসমান শিবির

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাংসদ শামীম ওসমানের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন শ্রমিক লীগ নেতা কাউসার আহম্মেদ পলাশ। তাঁর সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার উদ্যোগে ওসমান শিবিরে দুশ্চিন্তার সৃষ্টি হয়েছে।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী কাউসারকে ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ওসমান শিবির। তাদের আশঙ্কা, শেষ পর্যন্ত কাউসার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করলে ভোটের মাঠে ফলাফলে শামীম ওসমানের ভোটে বিরূপ প্রভাব পড়বে। তবে শামীম ওসমান শিবিরের লোকজন মনে করছেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় রয়েছে।

এই আসনে বর্তমান সাংসদ শামীম ওসমান ছাড়াও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক ও ফতুল্লা কমিটির সভাপতি কাউসার আহম্মেদ, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হালিম সিকদার, আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা উপকমিটির সদস্য কামাল মৃধা।

গত বুধবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার কার্যালয়ে গাড়িবহর এবং নেতা-কর্মী নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী বর্তমান সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমান। শেষ মুহূর্তে এসে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন শ্রমিক লীগ নেতা কাউসার আহম্মেদ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী জানান, শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে এমনিতেই নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তিনি বিভিন্ন ইস্যুতে দল ও দলের বাইরে আলোচিত-সমালোচিত। ফলে নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থীর তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে পারেন তিনি। এই অবস্থায় দলের ভেতর থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড়ালে সংকট আরও প্রকট হবে।

কাউসার আহম্মেদ বলেন, ‘নির্বাচন করার জন্যই মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি। সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’ দলের বাইরে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করে কতটুকু সুবিধা করতে পারবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের রাজনীতি দিয়ে শুরু করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়েছি। আমার নির্বাচনী এলাকায় মানুষের কাছে আমার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সর্বস্তরের মানুষ আমাকে সমর্থন ও সাহস জোগাচ্ছেন। সে ক্ষেত্রে আমি সফল হব।’

সাংসদ শামীম ওসমানের ঘনিষ্ঠ ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ কখনো সুবিধা করতে পারেনি। যেহেতু আগামী ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে।

%d bloggers like this: