সিদ্ধিরগঞ্জে অজ্ঞাত কিশোরের লাশ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সিদ্ধিরগঞ্জে আনুমিানিক ১৪-১৫ বছরের অজ্ঞাত এক কিশোরের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি বৃষ্টিধারা আবাসিক এলাকার মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলীর বাড়ির পাশে ডোবায় লাশটি ভেসে থাকতে দেখে পুলিশে ফোন করে। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

লাশটি আনুমানিক ২০-২৫দিন আগের হওয়ায় পুরোটাই পচে গেছে। লাশের মাথাও পচে গিয়েছে।
এদিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লাশটি যে স্থানে পাওয়া গেছে তার পাশেই এড.জসিম উদ্দিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া দেলোয়ার হোসেন ময়না নামে এক ব্যক্তির ১৪ বছরের ছেলে মো. সাফিন নিখোঁজ রয়েছে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে। এ বিষয়ে ময়না গত ৩০সেপ্টেম্বর ছেলে নিখোঁজের বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন। এর পর থেকে এখন অবধি তার ছেলেকে আর পাওয়া যায়নি।

সাফিনের পরিবারের দেওয়া তথ্য মতে, নিখোঁজের সময় তার পরনে ছিলো গেঞ্জি এবং হাফপ্যান্ট। অপরদিকে মঙ্গলবার বিকেলে উদ্ধার করা লাশের পরনেও গেঞ্জি এবং হাফপ্যান্ট ছিলো। লাশটি পচে যাওয়ায় এখনো পর্যন্ত সনাক্ত করা যাচ্ছে না আসলে এটা ময়নার নিখোঁজ হওয়া ছেলে ফাহিম কিনা।

এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ময়না তদন্তের জন্য লাশটি নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নারায়নগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে উপস্থিত আছে ময়না। তিনি সর্বশেষ এই প্রতিবেদককে জানায় এখন পর্যন্ত তিনি লাশটি তার নিখোঁজ ছেলে সাফিনের কিনা তা সনাক্ত করতে পারেনি।

এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস সাত্তার টিটু জানান, লাশটি যেহেতু অনেক দিন আগের তাই পুরোটাই পচে গিয়েছে। তবে আমাদের থানায় ৩০ সেপ্টেম্বর একটি হারিয়ে যাওয়া জিডি হয়েছিলো। লাশটি যে স্থান থেকে উদ্ধার হয়েছে তার পাশে একটি বাড়ির ভাড়াটিয়া ময়নার কিশোর ছেলে সাফিনও গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ রয়েছে। লাশটি আসলে তার কিনা তাও আমরা সনাক্ত করার চেষ্টা করছি। আর মৃত্যুর কারণ ময়না তদন্তের পর বলা যাবে।