ব্যাংক খাতে ২২ হাজার কোটির বেশি টাকা জালিয়াতি

  • সরকারি ব্যাংকের সমস্যা ছড়িয়ে পড়ছে বেসরকারি ব্যাংকেও
  • একক নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি ব্যাংকমালিকদের সংগঠনের
  • ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠাই এখন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ

দেশের ব্যাংক খাতের স্বাস্থ্য ভালো নেই। ব্যাংক খাতকে যদি একটি দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড ধরা হয়, তাহলে সেখানে রক্তক্ষরণ ঘটছে অনেক দিন ধরে। অর্থনীতিবিদেরা মনে করেন, ব্যাংক খাতের দুর্নীতি ক্যানসারের মতো, একবার দেখা দিলে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা অর্থনীতিতে। গত ১০ বছরে ব্যাংক খাত থেকে জালিয়াতি হয়েছে সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ।

এমনটাই হয়েছে গত এক দশকে। সরকারি ব্যাংকের সমস্যা ছড়িয়ে পড়ছে বেসরকারি ব্যাংকেও। নিয়ম না মেনে ঋণ বিতরণ, বেনামি ঋণ, সুশাসনের অভাব—এসবই ব্যাংক খাতের সামগ্রিক চিত্র। এর মধ্যেও অবশ্য ভালো চলছে হাতে গোনা কয়েকটি ব্যাংক, বাকিরা নানা সংকটে। ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করাই এখন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

চ্যালেঞ্জ ব্যাংক খাতের নেতৃত্ব নিয়েও। অর্থ মন্ত্রণালয় বা বাংলাদেশ ব্যাংকও নয়, ব্যাংক খাতের ওপর এখন একক নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি ব্যাংকমালিকদের সংগঠনের। তাদের ইচ্ছাতেই বদলে যাচ্ছে ব্যাংক কোম্পানি আইন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি। এখন আবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর আছে নতুন ব্যাংক অনুমোদনের চাপ।

গত ১০ বছরে জনতা ব্যাংক থেকে অ্যাননটেক্স, ক্রিসেন্ট ও থারমেক্স গ্রুপ মিলে ১১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা নিয়ে গেছে, বেসিক ব্যাংক থেকে চলে গেছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংকের হল-মার্ক কেলেঙ্কারিতে আত্মসাৎ হয়েছে ৩ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা, বিসমিল্লাহ গ্রুপ নিয়েছে ১ হাজার ১৭৪ কোটি টাকা, নতুন প্রজন্মের এনআরবি কমার্শিয়াল ও ফারমার্স ব্যাংক থেকে লোপাট হয়েছে আরও ১ হাজার ২০১ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ সামগ্রিক ব্যাংক খাত নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, দেশের উন্নয়নের যে গতি, তা ধরে রাখতে হলে সবার আগে ব্যাংক খাত ঠিক করতে হবে। এমন ব্যাংক খাত নিয়ে মধ্যম আয়ের দেশে যাওয়া যাবে না। এ জন্য সরকারের সদিচ্ছা প্রয়োজন, তা ছাড়া খাত ঠিক হবে না।

সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সবার মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। আর যারা দোষী, তাদের দ্রুত দৃশ্যমান বিচারের আওতায় আনতে হবে। দোষীরা সবার চেনা। এসব উদ্যোগই পারে ব্যাংকের ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে।

বাড়ছে খেলাপি ঋণ
বর্তমানে দেশে ৫৯টি ব্যাংক কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর মধ্যে ৪১টি বেসরকারি খাতের ও ৯টি বিদেশি ব্যাংক। রাষ্ট্র খাতের ব্যাংক ৯টি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা। আর ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৯৯ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১০ বছরে দেশে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে সাড়ে চার গুণ। এর বাইরে গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর অবলোপন করা ঋণ ৪৯ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা।

গত সেপ্টেম্বরে হিসাবে রাষ্ট্র খাতের ৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ৪৯ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। আর বেসরকারি ও বিদেশি ৫০ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪৯ হাজার ৯৩৬ কোটি টাকা।

খেলাপি ঋণসংক্রান্ত এসব পরিসংখ্যান বাংলাদেশ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক তথ্য। তবে ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকৃত খেলাপি ঋণ আরও অনেক বেশি। কারণ, অনেকগুলো ব্যাংক বড় অঙ্কের ঋণ আদায় করতে পারছে না, আবার তা খেলাপি হিসেবেও চিহ্নিত করছে না। আবার বিভিন্ন অজুহাতে প্রতিবছরই ব্যাংকগুলো নানা ছাড় নিচ্ছে। এখন আবার খেলাপি ঋণ কম দেখাতে শিথিল করেছে ঋণ অবলোপন নীতিমালা। কাগজে-কলমে খেলাপি ঋণ কম না দেখিয়ে নগদ আদায় করাটাই হবে সরকারের জন্য আসল চ্যালেঞ্জ।

মানা হচ্ছে না নিয়ম

ঋণখেলাপি হয়ে গেলে ব্যাংকগুলো তা দফায় দফায় পুনঃ তফসিল করছে। যখন নিয়মের মধ্যে পুনঃ তফসিল করতে পারছে না, তখন বিশেষ অনুমোদন দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে অনেক সময় ঋণ আদায় না হলেও তা খেলাপির তালিকায় যুক্ত হচ্ছে না। ফলে আড়ালেই থাকছে খেলাপি ঋণের প্রকৃত চিত্র।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিজেই ২০১২ সালে ৫ হাজার ৫০০ কোটি, ২০১৩ সালে ১৮ হাজার ২০ কোটি ও ২০১৪ সালে ১২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকার ঋণ পুনঃ তফসিলের অনুমোদন দেয়। এ ছাড়া ২০১৫ সালে ১৯ হাজার ১৪০ কোটি, ২০১৬ সালে ১৫ হাজার ৪২০ কোটি টাকা ও ২০১৭ সালে ১৯ হাজার ১২০ কোটি টাকার ঋণ পুনঃ তফসিল করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০১৮ সালেও প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনঃ তফসিল করা হয়। এভাবে ঋণ পুনঃ তফসিলের পরও প্রতিনিয়ত বাড়ছে খেলাপি ঋণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন এ নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, খেলাপি ঋণ পরিশোধের নিয়মাবলি একেবারেই মানা হচ্ছে না। সাধারণত দুবারের বেশি ঋণ পুনঃ তফসিল হয় না। পুনঃ তফসিল করলে ঋণের ১০ শতাংশ অবশ্যই নগদে আদায় করতে হবে। কিস্তি থেকে কেটে রাখলে তা হবে না, নগদে আদায় করতে হবে। যদি কেউ পুনঃ তফসিলের শর্ত ভঙ্গ করে তবে তা বাতিল হয়ে যাবে। এমন নতুন নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যাংক খাত এখনো ঠিক করা সম্ভব। ব্যাংকগুলোকে এসব নিয়ম মানতে বাংলাদেশ ব্যাংককে বাধ্য করতে হবে। ব্যাংক খাত ঠিক করতে নতুন আইনের প্রয়োজন হবে না। প্রচলিত আইনের যথাযথ প্রয়োগ করেই সমাধান সম্ভব।

ভালো নেই নতুন ব্যাংক
খেলাপি ঋণ যে ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে, তা বোঝা যায় নতুন ব্যাংকগুলোর দিতে তাকালেই। রাজনৈতিক বিবেচনায় ২০১২ সালে অনুমোদন পাওয়া নতুন ৯ ব্যাংকের ৪ হাজার ২৭০ কোটি টাকা ঋণখেলাপি হয়ে গেছে। এর মধ্যে গত দুই বছরেই তাদের খেলাপি ঋণ বেড়েছে প্রায় ৮ গুণ। এর মধ্যে সংকটে থাকা ফারমার্স ব্যাংকের খেলাপি ঋণই ৩ হাজার ৭০ কোটি টাকা।

নতুন ব্যাংকের মধ্যে ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে নাম বদলে পদ্মা) কোনো ধরনের নিয়মকানুন অনুসরণ ছাড়াই ব্যাংকিং সেবা দেওয়া শুরু করে, যার প্রভাবে পুরো ব্যাংক খাতে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ফারমার্স ব্যাংক আমানতের অর্থ ফেরত দিতে না পারার কারণে ভোক্তাদের মধ্যে যে ভীতি ছড়িয়েছে, তা এখনো কাটেনি। এ ছাড়া এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকেও অনিয়ম হয়। আবার ইউনিয়ন ও এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ঋণে ছিল অস্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি। ফলে ছয় বছর হলেও নতুন ব্যাংকগুলোর ভিত্তি মজবুত হয়নি।

ব্যাংকমালিকদের ইচ্ছাপূরণ
ব্যাংক খাত কীভাবে চলবে, তা এখন ঠিক করে দিচ্ছে ব্যাংকমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। তাদের চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংক খাতের করপোরেট করহার আড়াই শতাংশ কমিয়েছে সরকার। এক পরিবার থেকে চারজন পরিচালক ও একটানা তিন মেয়াদে থাকার বিধান রেখে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করা হয়েছে। ঋণের সুদহার এক অঙ্কে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কমিয়েছে নগদ জমার হার (সিআরআর)। সরকারি আমানতের ৫০ শতাংশ বেসরকারি ব্যাংকে জমা রাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো ফল দিচ্ছে না।

সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ এ নিয়ে বলেন, ব্যাংক চলে আমানতকারীদের টাকায়। এতে মালিকদের অংশগ্রহণ মাত্র ১০ শতাংশ। ৯০ শতাংশ আমানতকারীকে সুরক্ষা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অথচ ১০ শতাংশের মালিকেরাই এখন সব করছে। এসব বন্ধ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পুরোপুরি স্বাধীন করতে হবে।

আমানতে টান, ঋণে চাহিদা
ব্যাংকের বিভিন্ন অনিয়মের কারণে আমানতকারীদের মধ্যেও একধরনের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে। ব্যাংক খাতে আমানত যেভাবে বাড়ছে, ঋণ বাড়ছে তা দ্বিগুণ গতিতে। গত বছরের নভেম্বরের হিসাবে, ব্যাংকে আমানতে প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশ, যেখানে ঋণ বাড়ছে ১৩ শতাংশ। এর ফলে ব্যাংকে যে উদ্বৃত্ত আমানত ছিল, তা কমতে শুরু করেছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, বিনিয়োগের জন্য এখন টাকা লাগবে। তা আসবে আমানত থেকেই। এ জন্য সুদহার বাড়বে। অথচ সরকারের সামনে চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সুদহার ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা।

সামগ্রিক বিষয়ে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, একসময় সরকারি ব্যাংকের তুলনায় বেসরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ অনেক কম ছিল। সরকারি ব্যাংকের টাকা ফেরত না দিলে বেসরকারি ব্যাংকের টাকা কেন দিতে হবে, পরে এমন মনোভাব চলে এল। ভালো গ্রাহকের জন্য এটা একধরনের শাস্তি।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘খেলাপি ঋণ আদায়ে পদ্ধতিগত বড় পরিবর্তন আনতে হবে। ঋণখেলাপিদের বড় ধরনের শাস্তি দিতে হবে অথবা সামাজিকভাবে তাঁদের একঘরে করে ফেলতে হবে। তাতে তাঁরা একটা বড় ধাক্কা খাবেন, এতে সবাই সতর্ক হবে। এ জন্য সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, আদালত সবারই সহযোগিতা প্রয়োজন।’

বিশেষজ্ঞ মত
খেলাপি ঋণ একটা ক্যানসারের মতো
জাহিদ হোসেন মুখ্য অর্থনীতিবিদ, বিশ্বব্যাংক, ঢাকা কার্যালয়
জাহিদ হোসেনব্যাংক খাতে অনেক ধরনের সমস্যা চলছে। সুদের হার ও খেলাপি ঋণ অনেক বেশি, মূলধনে ঘাটতি রয়েছে। এখানে ব্যাংকের সংখ্যাও বেশি, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণেও দুর্বলতা রয়েছে। এত সমস্যা একবারেই সমাধান সম্ভব নয়। বড় যে সমস্যা পুরো খাতে সংকট বাড়াচ্ছে, তা হলো খেলাপি ঋণ। খেলাপি ঋণের কারণে অন্য সমস্যাগুলো বড় হচ্ছে। খেলাপি ঋণ একটা ক্যানসারের মতো। এটা যেন না ছড়ায়, তার উদ্যোগ নিতে হবে। এটা কীভাবে ধীরে ধীরে সারানো যায়, তার ব্যবস্থাও করতে হবে। এ জন্য নতুন করে যাতে কেউ ঋণখেলাপি না হতে পারে, তার উদ্যোগ নিতে হবে। এ ছাড়া ব্যাংক–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আইন সংস্কার নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আমি মনে করি এর প্রয়োজন আছে। আইনের সুযোগ নিয়ে অনেকেই খেলাপি থেকে মুক্ত থাকছে। আবার তারা নতুন করে ঋণসুবিধা পাচ্ছে। এভাবে চলতে পারে না। ব্যাংক কোম্পানি আইন, অর্থঋণ আদালত আইন ও দেউলিয়া আইন সংস্কার করে এ সুযোগগুলো বন্ধ করতে হবে। শুধু আইন সংস্কার করলেই হবে না, তার প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের দেশে তো আবার সবার জন্য সমানভাবে আইন প্রয়োগ হয় না। এটাও বড় সমস্যা। এ কারণে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান হবে না। আমি মনে করি ঋণ যারা দিচ্ছে ও যারা নিচ্ছে, তাদের দুই পক্ষকেই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এসব উদ্যোগই পারে খেলাপি ঋণকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে। ব্যাংক খাতের ওপর দ্বৈত নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করতে হবে। সরকারি ব্যাংকগুলোকে পুরোপুরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে দিতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। আমাদের দেশে ব্যাংকমালিকদের দৌড়ঝাঁপ একটা নতুন সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। আগে এমনটি ছিল না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আগে স্বাধীনভাবে কাজ করার দৃষ্টান্ত আছে, সেখানেই ফিরে যেতে হবে। হোটেলে বসে নগদ জমার হার (সিআরআর) কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত না নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে নিজের মতো করে এ সিদ্ধান্ত নিতে দিতে হবে। এসব ঘটনা আর ঘটতে দেওয়া ঠিক হবে না। এভাবে কাঠামোগত সমস্যার সমাধান করলে অন্য সমস্যারও সুরাহা হবে।