ধানমণ্ডিতে আবাসিক ভবনে আগুন

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে একটি আবাসিক ভবনে আগুন লেগেছে। শনিবার রাত ৯টায় ধানমণ্ডির ১১/এ নম্বর সড়কের ৬৩ নম্বর বাসার দ্বিতীয়তলায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোলরুমের অপারেটর জুয়েল যুগান্তরকে জানান, ‘বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে বাসাটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট পাঠানো হয়। কিন্তু ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়ার আগেই বাসার লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে।’

ধানমণ্ডি থানার ডিউটি অফিসার এসআই মো. শাহীন যুগান্তরকে বলেন, ‘ধানমণ্ডি ১১/এ সড়কের ৬৩ নম্বর বাসায় আমরা আগুনের খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে এসআই জিয়াউদ্দিন রয়েছেন। ফায়ার সার্ভিসও সেখানে যায়। কিন্তু এর আগেই ওই বাসার লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে।’

এ ব্যাপারে এসআই জিয়াউদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, আগুন ওইভাবে লাগেনি। সিগারেট থেকে সামান্য আগুন লাগে। বাসার লোকজনই আগুন নিভিয়ে ফেলে। কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এর আগে শনিবার সকালে আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে গুলশান-১ এর ডিএনসিসি মার্কেট। সেই আগুন নিভতে না নিভতেই গুলশান-২ এ ডেল্টা টাওয়ারে আগুন লাগে। যদিও ডেল্টা ভবনের যে ফ্লোরে আগুন লেগেছিল সেটি সেখানকার কর্মকর্তারাই নিভিয়ে ফেলতে সক্ষম হন।

তারও আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে আগুন লাগে কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ের পাশের ১৭ নম্বর সড়কে এফ আর টাওয়ারে। ভবনের নবম তলায় আগুনের সূত্রপাত। পরে ছড়িয়ে পড়ে ২৩ তলা ভবনের বেশ কয়েকটি তলায়। প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধারকাজে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও বিমানবাহিনীর পাঁচটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। ভবনটির ছাদে আটকেপড়া অনেককে উদ্ধার করে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার। এ ছাড়া অগ্নিনির্বাপণে হেলিকপ্টার থেকে ভবনটিতে পানিও ফেলা হয়।

ভয়াবহ এই আগুনে শনিবার সকাল পর্যন্ত ২৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত অন্তত ৭৩ জন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।